Road to BUET: Story of a typical BUETian

Road to BUET: Story of a typical BUETian

আজ আবার চলে এসেছি তোমাদের সাথে গল্প করতে। তোমরা অনেকেই এডমিশনের জন্য সাজেশন চাও। ভাবলাম শুধু বোরিং সাজেশন না দিয়ে তোমাদের সাথে আমার এডমিশন জার্নির গল্পটাই শেয়ার করি। ভিডিওটা একটু লম্বা হবে। বাট পুরোটা যদি দেখতে পারো তোমাদের জন্যই ভাল। পুরো ভিডিও জুড়ে আমি বেশ কিছু দরকারি ইনফো আর ইন্সাইট শেয়ার করেছি। সামনে আরও দারুণ কিছু ভিডিও আসছে। কেউ যদি সাবস্ক্রাইব না করে থেক জলদি করে ফেলো। বেল আইকনে ক্লিক করে রাখো। নতুন ভিডিও আসলে আপলোড করলে সাথে সাথে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবে।


তোমরা যারা রেগুলার আমার ভিডিও দেখো তারা জানো আমি তোমাদের সাথে আমার কলেজ লাইফের খানিকটা স্টোরি শেয়ার করেছিলাম। অনেক দিন পর্যন্ত আমি একাডেমিক পড়াশুনা সিরিয়াসলি নেইনি। ফিজিক্স আর ম্যাথ বাদে আমার সিলেবাস অনেক বাকি ছিল। ও হ্যাঁ, বাংলা খুব ভাল পারতাম আর English এর বেইজ তো ছোটবেলা থেকেই ভাল ছিল। টেস্ট পরীক্ষার আগে আগে আমি নাক মুখ গুজে পড়া শুরু করি। নয়তো লাস্ট দেড় বছর পড়াশুনা না করে যে পাপ করেছিলাম এবার তার মাশুল দিতে হবে। টেস্ট পরীক্ষার পর কলেজে মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে। এছাড়াও আমি আরেকটা কোচিং-এ এক্সাম ব্যাচে ভর্তি হই। সকালে কলেজে পরীক্ষা দিতাম আর বিকাল কোচিং-এ। সো, এক লাইনে বললে, টেস্ট পরীক্ষার পর আমার দিনে ৬ ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়া হতো আর রাতে বাসায় গিয়ে ৬ ঘণ্টা পড়তাম। 

watch my videos on YouTube


আমার একটা নোকিয়া X স্মার্টফোন ছিল। কলেজে তো ঠিকমতো ক্লাস করিনি। বাসায় বসে পিসি আর ফোন গুতিয়েই সারা বেলা কেটে যেত। এতে  অবশ্য উপকার অপকার দুটোই হয়েছে। অপকার বলতে ট্রেডিশনাল পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে পারিনি। আর উপকার বলতে আমার সমবয়সী আর পাঁচটা ছেলের চেয়ে আমার টেকনলোজিক্যাল নলেজ অনেক বেশি ছিল। কোথায় কোন রিসোর্সেস পাওয়া যায়, কোন সফটওয়্যার কীভাবে ইউজ করে, অনলাইনে কোথায় একটা question করলে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি রাইট আনসার পাওয়া যাবে এসব শিখে ফেলেছিলাম। ট্রাস্ট মি, এগুলো এখনও আমাকে বেনিফিট দিচ্ছে।

তোমাদের সাথে কখনও শেয়ার করা হয়নি। আমি HSC দিয়েছি 2016 তে। সেই হিসেবে এখন ফোর্থ ইয়ারে থাকার কথা ছিল। কিন্তু বুয়েটের সেশন জটের জন্য আমাদের ব্যাচের সবাই এখনও থার্ড ইয়ারেই আটকে আছে। যাইহোক সোজা কথায় আমার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হতে এখনও 1 বছরের বেশি সময় বাকি বাট আমি কিন্তু অলরেডি চাকরি পেয়ে গেছি! আমি বহুব্রীহি নামে একটা ইলার্নিং প্লাটফর্ম-এ ইন্সট্রাকশোনাল ডিজাইনার হিসেবে আছি। এর পেছনে অবদান আমার ওই  পুরোনো অভ্যাসের। সফটওয়্যার বা টেকনোলজিকেল যে enthusiasm ছিল সেটাই ফাইনালি পে অফ করেছে। এখান থেকে একটা লাইফ লেসন আমি পেয়েছি। আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই কোন কিছু মন থেকে ভালোবাসি, এনজয় করি, সেটা ফাইনালি আমাদের সাকসেস এনে দেয়। BTW, আমি যে রেগুলার ভিডিও দিতে পারি না তার কারণও সেটাই। নিজের পড়াশুনা, চাকরি আবার নিজের কতগুলো স্টুডেন্ট আছে, এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস করি, বুয়েটে দুইটা ক্লাবের সাথে আছি। তারপর আবার ডেইলি নতুন নতুন সফটওয়্যার শিখতে ইচ্ছে করে। সব মিলিয়ে টাইম বের করা খুবই মুশকিল হয়ে যায়। Still, তোমাদের কথা ভেবে, তোমাদের সাপোর্ট পেলে নতুন আরেকটা ভিডিও বানানোর ইন্সপিরেইশন পাই। কেউ যদি সাবক্রাইব না করে থাকো, করে ফেলো, ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করো, কমেন্টে ফিডব্যাক জানাও। 


যাই হোক আবার আগের টপিকে ফেরত আসি। স্মার্টফোন নিয়ে কথা বলছিলাম। টেস্ট পরীক্ষার পর তো আর বেশি সময় থাকে না। ওই সময় তাই আমি আমার ফোন ইউজ করে একেবারে কমিয়ে দিলাম। ফেসবুকে লগ ইন করতাম না, কোন স্ট্যাটাস দিতাম না। আগে আমার অনেক শিটপোস্ট করার বদঅভ্যাস ছিল। তবে এই সময়ে এই পণ করলাম একবারে ভালো কোন ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে দেন আবার স্ট্যাটাস দেব। যাইহোক, আল্লাহর রহমতে আমার HSC preparation খুব তারাতারি একটা ভাল পর্যায়ে চলে আসলো। মনে হল, আহ! এবারের মতো বুঝি ফারা কাটলো।


দেখতে দেখতে এইচএসসি পরীক্ষা চলে আসলো। আলহামদুলিল্লাহ পরীক্ষা অনেক ভাল হচ্ছিল। তবে পরীক্ষার হলের অবস্থা খুবই বাজে ছিল। ছেলেপেলে অনেক দেখাদেখি করতো। বন্ধুত্ব রক্ষার খাতিরে আমিও একাবারে খাতা খুলে বন্ধুদের answer দেখাতাম। মোটেও গর্ব করে বলছিনা। কারণ এটা এথিক্যাল কাজ না। আর যাদেরকে দেখিয়েছিলাম তারা এইচএসসি তে গোল্ডেন পেয়েছিল ঠিকই কিন্তু এদ্মিসশনে গিয়ে কোন ভার্সিটিতে চান্স পেল না। HSC-তে ওদের খাতা খুলে না দেখালে দুটো উপকার হতো। আমার HSC-তে বোর্ডে নিজের মেরিট পজিশন আরও ভালো হতো। হ্যাঁ, Govt. স্কলারশিপ তাও পেয়েছিলাম বাট still… আর সেকেন্ড যে উপকার হতো সেটা হলো ওদের না দেখালে ওরা নিজেরা খানিকটা পড়াশুনা করতো হয়তো পরে ভালো কোনো ভার্সিটিতেও চান্স পেতো। 


যাকগে এইচএসসি শেষ হবার পর শুরু হল আসল খেলা। এডমিশন! ১০ লাখ স্টুডেন্ট এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। স্বপ্নের বুয়েটে সিট মাত্র এক হাজার! লড়াই এত জমজমাট! তার প্রস্তুতি কি আর যেনতেন হলে চলে। কোচিং করার জন্য ঢাকায় চলে আসলাম। আমার একটা বদ অভ্যাস ছিল। হাবিজাবি অনেক বই কিনতাম। ঢাকায় আসার সময় আমার বইপত্র, খাতা, নোট মিলিয়ে দুই বস্তা হয়ে গেছে। 😢


 ঢাকায় আমি মামার বাসায় উঠেছিলাম। কোচিং শুরু হতে তখনও আরো কয়েকদিন বাকি। মামা আগেই কোচিং থেকে কোয়েশ্চেন ব্যাংক গুলো আনিয়ে রেখেছিলেন। আমি ঢাকায় গিয়ে ফ্রেশ হয়েই কোয়েশ্চেন ব্যাঙ্ক সলভ করা শুরু করে দিয়েছিলাম। তখন রমজান মাস ছিল। দুপুরে খাওয়াদাওয়াও ঝামেলা ছিল না। একেবারে বাসায় ঢুকেই পড়া শুরু করে দিয়েছিলাম। মামী দেখে বললেন, বাবা এত দূর জার্নি করে আসলে একটু রেস্ট নাও, একটু ঘুমাও। আমি বললাম, হ্যাঁ মামী, ঘুম ধরলে ঘুমাবোনে। 😛  এখন মনে পড়লে হাসি পায়। কি পাগল ছিলাম। তখন ধ্যান জ্ঞান একটাই ছিল। by anything and everything I need to get myself admitted into BUET. 


ঢাকায় আমি অনেক প্রিভিলেজেড ছিলাম। আমার জন্য আলাদা রুম ছিল। রুমে বড় পড়ার টেবিল, ফ্রিজ, ওয়াটার ফিল্টার, এটাচ বাথরুম সবই ছিল। আর মামীর হাতের রান্নাও মাশাল্লাহ। সব মিলিয়ে আমার এডমিশন টাইমটা খুব আয়েশে কেটেছে। এসব দেখেই কবি হিংসে করে বলেছিলেন একেবারে মামার বাড়ির আবদার!


যাক সেসব কথা। আবার কাজে কথায় আসি। আমি যেহেতু কোচিং শুরুর কয়েকদিন আগেই ঢাকায় গিয়েছিলাম সো কোচিং-এ ক্লাস শুরুর আগেই আমার কোচিং-এর দুই সপ্তাহের পড়া কমপ্লিট হয়ে গেল। যেমনটা বলছিলাম তখন রমজান মাস ছিল। কোচিং-এ ঈদের আগে মাত্র এক সপ্তাহ ক্লাস হল। তারপর ঈদের ছুতি দিয়ে দিল। মামার জরাজুরিতে সেবার ঢাকাতেই ইদ করলাম। ওটাই ছিল আব্বু আম্মুকে ছাড়া আমার প্রথম এবং এক মাত্র ইদ। এক লাইনে বললে সে সময় আমার রুটিন ছিল খাওয়া, গোসল আর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়া বাদে জতটা সময় আমি জেগে থাকতাম আমি বই নিয়েই পড়ে থাকতাম। বলা বাহুল্য ঈদের দিনও আমি বই নিয়ে পড়েছিলাম। 😄 বিকালে খালামনি এসে জোড় করে ধরে নিয়ে গেল নানুর বাসায়। সন্ধ্যার পরে বাসার সবাই মিলে আমরা হাতিরঝিল ঘুরতে গেলাম। ওটাই ছিল পুরো এডমিশন পিরিয়ডে আমার একমাত্র এস্কেপ।

 
আমি কোচিং করতাম মিরপুর-২ এ। একদম শেরেবাংলা ক্রিকেত স্টেডিয়ামের সামনে। এডমিশনের ওই সময়টাতে সেখানে কয়েকটা ইন্টারন্যাশনাল টুর্নামেন্ট হয়ে গেল। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করতো একদিন ঘুরে আসি। পরেক্ষণেই ভাবতাম আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে অনেক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আসবে জীবনে কিন্তু বুয়েট এডমিশন টেস্ট জীবনে একবারই আসবে। মিরপুরে কোচিংয়ের পাশেই মিরপুর শপিং মল ছিল। কোচিংএর ছেলে মেয়েরা সেখানে মাঝে মাঝেই উইন্ডো শপিং করতে যেত। আমি ভুলেও অকাজে সময় নষ্ট করিনি।


কোচিংয়ে শুরু থেকেই আমার পারফরম্যান্স খুবই ভালো ছিলো। সেকেন্ড উইক থেকে যখন তুখোড় ব্যাচ ফর্ম করলো তখন আমিও তুখোরেই ক্লাস করা শুরু করলাম। ওখানে হুদাই অনেক আজাইরা জিনিসপাতি পড়াতো যেগুলো বুয়েট এডমিশন কেন এই 70% বুয়েট লাইফ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও কাজে লাগাতে পারি নাই। LOL! বাট তুখোড় ব্যাচের একটা ভালো দিক ছিল সব ট্যালেন্টেড ছেলেপেলে গুলো ছিল ওখানে। ওদের সাথে বিভিন্ন প্রবলেম বা টপিক নিয়ে ডিজকাস করা যেতো। আমাদের ওই বছর DU তে ফার্স্ট জাওয়াদ, উদ্ভাসিত মুখ পরীক্ষায় ফার্স্ট সিয়াম ওরাও ওই তুখোড় ব্যাচে ছিল। সিয়ামের কাছে আমি নাম্বার থিওরি এর কিছু ইউজেজ দেখেছিলাম। অনেক প্রবলেম আছে যেগুলো সবাই ক্যালকুলাস ইউজ  করে সলভ করে বাট নাম্বার থিওরি এপ্লাই করে আরও অনেক ইজিলি করে ফেলা যায়। মোটকথা ওই তুখোড় ব্যাচটা এতই ভালো ছিলো যে ওখান থেকে টোটাল 80 জনের অলমোস্ট সবাই বুয়েট, কুয়েটে চান্স পেয়েছে। ওদের অনেকের সাথেই এখন ক্লাসে, ক্যাম্পাসে রেগুলার দেখা হয়।


HSC এর রেজাল্টের পর বিভিন্ন ভার্সিটি তাদের এডমিশন টেস্টের ডেইট দেয়া শুরু করলো। সবার আগে মেডিক্যালে পরীক্ষার ডেইট দিলো। সেপ্টেম্বরের কত তারিখে যেন। আমার মেডিকেলে পড়ার বিন্দু মাত্র ইচ্ছা ছিল না। তাই মেডিকেলে apply-ও করি নাই। I’m sorry আমি মেডিকেলকে ছোট করছি না। ইনফ্যাক্ট I’ve a huge respect for them. আমার কতগুলা মেডিকেল পড়ুয়া বন্ধু আছে। ওদের সাথে আমার দহরম মহরম সম্পর্ক। I was just saying that I wasn’t made for it. That’s it. আমাদের ওই বছর বুয়েটে ডেইট দিলো খুব সম্ভবত 22শে অক্টোবর। এদিকে দুষ্টু ঢাকা ভার্সিটি ডেইট দিলো ঠিক আগের দিন মানে 21 তারিখে। একটু মুশকিলে পরে গেলাম। ঢাকা ভার্সিটির পরীক্ষা তো মিস দেয়াও যাবে না। বুয়েটে ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে এমন একটা কনফিনডেন্স ছিল তারপরও you cannot  be so sure about that. আর ঢাকা ভার্সিটির জন্যও আমার একটা আলাদা ভালোবাসা ছিল। আমার ফিজিক্স খুব ভালো লাগে। কলেজে থাকতে মাঝে মাঝে ভাবতাম DU তে ফিজিক্স নিয়ে পড়বো। তাই আর সাতপাঁচ না ভেবে 21 তারিখে ঢাকা ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিলাম। 


সেখানে পরীক্ষা দিতে গিয়েও আরেক ফ্যাসাদ। দুই ঘন্টা আগে রওনা দিয়েও রাস্তায় এত জ্যাম। লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় যাদের বেশিরভাগের গন্তব্য ঢাকা ভার্সিটি। এদের মধ্যে অনেকগুলা ছিল আবার ফার্মের মুরগি। এরা দেখি পুরা ফ্যামিলি সাথে নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। ভাই, একজন সাথে নিয়েই গেলেই তো হয়। পাক্কা 6~7 কিমি পায়ে হেটে পরীক্ষা দিতে যাওয়া লাগছে। যাইহোক ঢাকা ভার্সিটির জন্য আমার আলাদা প্রিপারেশনও ছিল না। আর কোচিংয়ের এক ভাইয়ার বুদ্ধি শুনে বায়োলজি আনসার করেছিলাম। ওই ভাইয়ার লজিক ছিল এমন, বায়োলজিতে পিভিয়াস ইয়ারের কোয়েশ্চেন থেকে অনেক কিছু কমন পড়ে, বায়োলজি আনসার করতেও টাইম কম লাগে। এসব শুনে আমি ভেবেছিলাম ঠিকই তো! বায়োলজি আনসার করি। কিন্তু এবার কপাল খারাপ ছিল। সে বছর প্রিভিয়াস ইয়ার থেকে তেমন কোয়েশ্চেন কমন পড়ে নাই। স্যারেরা খানিকটা চালাকি করছে। ধরো আগে এসেছে C4 উদ্ভিদ কোনটা? এবছর এসেছে C3 উদ্ভিদ কোনটা? পরীক্ষার হলে আমি ওসব খেয়ালও করি নাই। আর এসব বুঝছি বাসায় যাওয়ার পর। বাসায় যেতেও আবার কত ঝামেলা। সিএনজি, বাস কিছুই পাওয়া যায় না। 


যাকগে DU তে পরীক্ষা দিয়ে বাসায় গিয়ে পরেরদিনের বুয়েটের পরীক্ষার জন্য আর তেমন কিছুই পড়া হলো না। সবাই বলে পরীক্ষার আগেরদিন তাড়াতাড়ি ঘুমায়ে যেতে। আমিও লক্ষি ছেলের মতো রাত 10 টার আগেই শুয়ে পড়লাম। কিন্তু রাত 2টা বেজে যায় তাও ঘুম ধরে না। লাইফের মেজর ইভেন্টগুলা মেই বি এমনই হয়। মাথায় সেই এক চিন্তা। তখন ভাবছিলাম কাল সকালের 3 ঘন্টা পরীক্ষায় ডিসাইড হয়ে আমার বাকি জীবনটা কেমন হবে। 


এদিকে DU তে পায়ে হেটে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল দেখে এবার মামা রাতেই কই থেকে যেন একটা সিএনজি ঠিক করে ফেললো। ওদিকে আবার ওই দিনই আওয়ামীলীগের কি জানি একটা সমাবেশ হবে। অনেক গুলা রাস্তা বন্ধ। পরীক্ষা শুরু হবে সকাল 9:30-টায়। আর আমরা 6:30 টায় সিএনজি করে গিয়ে বুয়েটে হাজির। আমি এর আগে কোনোদিন বুয়েটে যাই নাই। আমার ফার্স্ট ইম্প্রেসন বেশ ভালো ছিলো। বুয়েটকে অনেক গোছালো, পরিষ্কার, অনেক ছিমছাম মনে হয়েছে।


যাইহোক  একটু আগে আগেই পরীক্ষার হলে যাওয়াতে পরীক্ষা শুরুর আগে হাতে 3 ঘন্টা সময় পেলাম। ফর্মুলা গুলো দেখলাম আর কেমিস্ট্রি বই আর শীটগুলো একটু দেখলাম। অনেকে বলে পরীক্ষার আগে আগে নতুন কিছু পড়তে হয়না তাইলে নাকি টেনশন বাড়ে। জানিনা উনারা এগুলো থিওরি কই থেকে পান। আমি তো বলি পরীক্ষার হলে ঢোকার আগ পর্যন্ত পড়বে। কারণ আমি ঐ 3 ঘন্টায় নতুন যা পড়েছিলাম সেখান থেকে বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় 25 মার্কস কমন পেয়েছিলাম। যে কোন পরীক্ষার জন্যই 25 মার্কস অনেক বেশি। যাইহোক ভর্তি পরীক্ষা বেশ ভালো হলো। তোমরা যারা জানো না তাদের জন্য বলছি বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি আর ম্যাথ থেকে 20 টা করে মোট 60 টা কোয়েশ্চেন থাকে। এক্যাক্টলি বলা সম্ভব না বাট তুমি যদি 35~40 টা কোয়েশ্চেন ঠিকঠাকমতো আনসার করতে পারো তুমি চান্স পেয়ে যাবে আশা রাখতে পারো। আমি মেই বি 49 টা আনসার করেছিলাম। 


আমার একটা বদঅভ্যাস ছিল। পরীক্ষার পরে আমার সব কোয়েশ্চেন মনে থাকতো আর আমি বাসায় গিয়ে সব মিলিয়ে মিলিয়ে দেখতাম। don’t do that, never do that. বাসায় গিয়ে মিলিয়ে দেখলাম আমি ছোট বড় সব মিলিয়ে 7টা ম্যাথে ভুল করেছি। এমন সিলি কিছু মিসটেইক করেছি যেগুলোর জন্য নিজের ওপর রাগ হলো। সকালে পরীক্ষা দিয়ে ভেবেছিলাম মেরিট পজিশন 200-এর মধ্যে থাকবে। ভুল গুলো খুঁজে পাওয়ার পর রাতে মনে হলো চান্স পাবো কি না।  যাইহোক পরে চান্স পেয়েছিলাম দেখতেই পাচ্ছ। মেরিট পজিশন আসলো 418। 7 টা ম্যাথ ভুল করে! ওই বয়সে এসব মেরিট পজিশন লাইফ ডিফাইনিং এলিমেন্ট মনে হতো। LOL . বাট সেটা জাস্ট একটা স্টার্টিং। একচুয়েলি বুয়েট লাইফে আরও অনেক কিছু আছে যেটা সে সময় কল্পনার বাইরে ছিল।


Oww! সাথে আরেকটা স্টোরি এড করি। 22 তারিখে বুয়েটের পরীক্ষা দেয়ার পর 26 তারিখে ছিল রুয়েটের পরীক্ষা এদিকে বুয়েটের পরীক্ষায় ম্যাথ ভুল করে এসেছি। আর পড়াশুনায়ই মন বসলো না। সেজন্যই বলছি পরীক্ষা দিয়ে এসে কখনও আনসার মিলাতে বসবে না। 25 তারিখ বিকালে রাজশাহী যাওয়ার জন্য রওনা হলাম। এর মধ্যে আর কিছুই পড়া হয়নি। বই নিয়ে বসে থাকতাম কিন্তু পড়া হতো না। যাইহোক রুয়েটে পরীক্ষা দেয়ার জন্য রাজশাহী যাচ্ছিলাম। দেখি বাসভর্তি সবাই আমার মতই ভর্তিযোদ্ধা। সবাই রাজশাহী পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। কেউ রুয়েটে, কেউ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। আরেকটা দরকারি কথা বলে দেই। এই সময়টাতে আগেভাগে টিকেট কেটে না রাখলে কিন্তু টিকেট পাওয়া যায় না। মামা আগে থেকেই আমার জন্য টিকেট ম্যানেজ করে রেখেছিলেন।  So, yes! I was very privileged! :3 

রাজশাহী যেতে যেতে বাসের মধ্যেই শুনলাম DU এর রেজাল্ট দিয়েছে। my very good ফ্রেন্ড সাদিক ফোন করে আমাকে খবর দিলো যে চান্স পেয়ে গেছি। মেরিট পজিশন 1400 সামথিং। culprit ওই বায়োলজি। বাকি 3টা সাবজেক্টে এভারেজ 25 এর মত ছিল আর বায়োলজির মাত্র 9। ওদিকে বায়োলজি আনসার না করে ইংলিশ আনসার করলে ইজিলি 24~25 পেয়ে যেতাম। মেরিট পজিশন 200 এর মধ্যে চলে আসতো।  এজন্যই লোকে বলে অন্যের বুদ্ধিতে মরার চেয়ে নিজের বুদ্ধিতে মরা ভালো।

তোমাদের এসব বলছি কারণ তোমরাও এখান থেকে লাইফ লেসন নিতে পারো। আমি নিজে ঠেকে শিখেছি। আমি চাই তোমরা ঠেকে না শিখে দেখে শেখো। এখন অবশ্য আর এসব ম্যাটার করেও না। কেউ আর জিজ্ঞেস করে না ঢাবিতে মেরিট পজিশন কত ছিল? বা বুয়েটে কত ছিল। আর ঢাবির রেজাল্ট পাওয়ার পর আমি অবশ্য তেমন আপসেট হইনি। কারণ আমার প্ল্যান ছিল ঢাকাতেই পড়বো। বুয়েটে হলে বুয়েটে আর নয়তো ঢাবিতে ফিজিক্সে। আমার যা মেরিট পজিশন ছিল তাতে ফিজিক্সে পড়তে পারতাম। সো, আমি বরং খুশিই হয়েছিলাম। যাক, পায়ের তলায় মাটি তো পাওয়া গেল।

 Oww, বাসের মধ্যে রেজাল্ট পাওয়ার পর একটা মজার ঘটনা ঘটলো। সাদিকের কাছ থেকে আমার রেজাল্ট শোনার পর আম্মুকে ফোন দিলাম। ফোন হ্যাং আপ করার পর আমার পেছনের সিট থেকে একটা মেয়ে জিজ্ঞেস করলো তোমার ঢাকা ভার্সিটিতে হয়ে গেছে? আমি বললাম হাঁ। ও নিজে চান্স পায়নি। আমার হ্যাঁ শুনে ওর মুখটা এতোটুকু হয়ে গেল। ওই লুকটা এখনও আমার চোখে ভাসে। প্রেশাস! ভাই, হ্যাঁ, মানুষের কষ্ট দেখে হাসতে হয় না বাট মেয়েটার ওই স্বামী মারা যাওয়া টাইপ লুক মনে… এনিওয়ে দোয়া করি ওই মেয়েটা এখন যেখানেই আছে, ভাল আছে। 


যাইহোক রাজশাহী গিয়ে হাসান ভাইয়ের মেসে উঠলাম। অনেকদিন পর উনার সাথে দেখা। অনেক রাত পর্যন্ত উনার সাথে গল্প ফুরায় না। পরদিন পরীক্ষা কিন্তু ঢাবিতে তো  অলরেডি চান্স পেয়ে গেছি, সো রুয়েটে চান্স পেলেও পড়া হবে না। পুরাই পেরা না মামা, চিল! মুডে পরীক্ষার পরীক্ষা দিতে গেলাম। রুয়েটের এদ্মিসশন টেস্ট ম্যানেজমেন্ট একদম ভাল লাগে নাই। খুবই কেয়টীক অবস্থা ছিল। তখন আবার ওখানে কন্সত্রাকশনের কাজ ছলতেছিল। কোথায় কোন বিল্ডিং কিছুই বোঝা যায় না। ওখানকার ভাইয়ারা জানপ্রাণ দিয়ে আমাদের হেল্প  না করলে মেই বি টাইমমতো পরীক্ষার হলেও ঢুকতে পারতাম না। 


পরীক্ষার কোয়েশ্চেন হাতে পাওয়ার পর দেখি ম্যাথ ভালই কঠিন করেছে। ফিজিক্স সোজা করছিল। তাই ম্যাথ রেখে ফিজিক্স দিয়ে শুরু করলাম। দেখি কিছুক্ষণের মধ্যে 10 টাই আন্সার করে ফেলছি। রুয়েটে তখন ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম্যাথ থেকে ১০ টা করে ৩০ টা প্রশ্ন থাকতো আর ইংলিশ থেকে ৫ টা। টোটাল ৩৫০ মার্ক। ফিজিক্স আন্সার করার পর কেমিস্ট্রি আন্সার করলাম। জৈব যৌগ থেকে অনেক গুলা কয়েশ্চেন আসছিল i was kinda very good at it then. so, আমার জন্য ভালই হইছে। ইংলিশে ভাল ছিলাম। সো, ইজিলি সবগুলা আন্সার করতে পারছি। যারা ইঞ্জিনিয়ারিং প্রিপারেশন নেয় তাদের বেশিরভাগই ইংলিশ পড়ে যায় না। সো, definitely এই পয়েন্টে আমি একটা আপার হ্যান্ড পেয়েছি। লাস্টে ম্যাথ আন্সার করেছিলাম। প্রথমে মনে হয়েছিল অনেক কঠিন। পরীক্ষা চলতে চলতে মাথা কাজ করা শুরু করলো। করতে করতে ৬ টা ম্যাথ করে ফেললাম। সো, অভারঅল ভালই হয়েছিল। 


বুয়েট পরীক্ষা দিয়ে এসে তো এই কয়েক দিন কোন পরাশুনাই করতে পারি নাই। পড়াশুনা কন্তিনিউ থাকলে হয়তো ম্যথে আরেকটু ভাল হতো। কয়েকদিন পরে যখন রুয়েটের রেজাল্ট হল তখন দেখি মেরিট পজিশন আসছে দুইশ সাম্থিং। মনে হল যে পরিক্ষায় সবচেয়ে কম এফোরট দিলাম, যে পরীক্ষার আগের ৫ দিন একেবারেই কিছু পরি নাই সেটাই সবচেয়ে ভাল হল। একচুয়েলি এই পরীক্ষাটাই আমি একদম টেনশন ফ্রি হয়ে দিছি। কারণ ঢাকা ভার্সিটির রেজাল্ট হয়ে গেছিল। আমি রুয়েটের পরীক্ষার আগেই ডিসাইড করে ফেলছিলাম যে এখানে আমার পড়া হচ্ছে না। এখন চিল মুডে পরীক্ষা দিছিলাম এবং ভাল হইছে। টেনশন ফ্রি হয়ে পরীক্ষা দেয়াটা খুবই ইম্পরট্যান্ট। 


এরপর ২৮ তারিখে কুয়েটের পরীক্ষা ছিল। প্ল্যান ছিল এমন যে আমি রুয়েটে পরীক্ষা দিয়ে ওই দিন দুপুর বেলায়ই ঢাকায় রউনা হয়ে যাবো। রাতটা ঢাকায় কাটিয়ে পরদিন অর্থাৎ ২৭ তারিখে খুলনার উদ্দেশে রউনা হয়ে যাবো। খুলনার টিকেট কাটা ছিল। ওখানে গিয়ে কুয়েটের এক বড় ভাইয়ের কাছে থাকব তাও ঠিক করা ছিল। বত্ব তোমার যদি পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকার জায়গা না থাকে তাহলে ওই ভার্সিটির কোন সিনিওরের সাথে কন্টাক্ট করবে। উনি obviously একটা ব্যাবস্থা করে দেবেন। 

এই জিনিসগুলা ইম্পরট্যান্ট। তোমাকে আগে থেকে প্রিপেয়ারদ হয়ে থাকতে হবে। তোমার কবে কী লাগবে তা আগে থেকেই রেডি রাখবে। ধরো রুয়েটের পরীক্ষার কথা বলি। বুয়েট বা ঢাকা ভার্সিটির মতো ওখানে এদ্মিত কার্ড ইস্যু করছিল না। idk একটা এদ্মিত কার্ড ইস্যু করা উনাদের কাছে এত কঠিন লাগছে কেন? এনিওয়ে, নোটিশে বলে দিছিল, HSC এর রেজিস্ট্রেশন কার্ড ফটোকপি করে তাতে নিজের সাইন করে সাথে একটা একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি আঠা লাগিয়ে আনতে। পুরাই বাংলা স্টাইল, ভাই। যাই হোক, এই কাজটা করতে অনেকে আবার গেছিল ভুলে। তাদের নিয়ে আবার কি মুসিবত। স্যাররা তাদের ঝারি দিতেছে। এদিকে আমাদের লিখতে প্রবলেম হচ্ছিল। সো, তোমরা আগে থেকে প্রিপেয়ারদ থাকবা। সেটা এসব ডকুমেন্টের ব্যাপারে হোক বা বাসের টিকেট বা থাকার জায়গা নিয়েই হোক।


যাইহোক, রুয়েটের পরীক্ষা দিয়ে আমার ঢাকায় ব্যাক করার কথা ছিল। একদিন পর কুয়েটের পরীক্ষা। বাট আমি দিসাইড করলাম কুয়েটে পরীক্ষা দিব না। আসলে পাকনামো না লজিক্যালি চিন্তা করে দেখছিলাম পড়লে ঢাকার মধ্যেই পড়বো। ঢাবিতে তো হয়েই গেছিল, আর বুয়েটে হয়ে যাবে একটা আশা ছিল। আর রুয়েটের পরীক্ষা তো অনেক ভাল হইছিল। পরীক্ষা দিয়েই বুঝছিলাম পছন্দের যেকোনো সাবজেক্ট পেয়ে যাবো। যা ভাবা তাই, ঢাকার টিকেট ক্যান্সেল করে বগুড়ার ট্রেনে বাড়ি রউনা হয়ে গেলাম। আমার এদ্মিশন জার্নি আনফিশিয়ালি ওখানেই শেষ।

আমি মোট চারটা ভার্সিটিতে এপ্লাই করছিলাম। তিনটাতে পরীক্ষা দিছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ সবগুলাতেই হইছে। অনেকের মতো আমিও দুইডজন ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে পারতাম। দিলে আজ বলে বেরাতে পারতাম আমি দুইডজন ভার্সিটিতে চান্স পাইছি। লোল। বাট আলটিমেটলি পড়বো তো একটাতেই। আর এত গুলা ভার্সিটিতে এপ্লাই করাও তো ফ্রি না। শুধু শুধু বাপের টাকার শ্রাদ্ধ করার কোন মানে নাই। অনেকে Columbus আবার বলে ভার্সিটিতে পরীক্ষা দেয়ার নাম করে সারা দেশ ঘোরার হয়ে যাচ্ছে। ভাইরেভাই! দেশ ঘুরতে চাও ভাল কথা বাট এটা কী দেশ ঘোরার সিজন? 


যাইহোক এই ছিল আমার এদ্মিশন জার্নি। এই সময়টাতে আমি কিছু ভুল ডিসিশন নিয়েছি যেমন, ঢাবিতে বায়োলজি আন্সার করা, বুয়েট পরীক্ষার পর আন্সার মিলানো। বাট অভারঅল রাইট ডিসিশন নিয়েছি বেশি। এদ্মিশনের প্রিপারেশন নেয়ার টাইমে অকাজে সময় নষ্ট করিনি। মেডিকেলে পড়ার কোন ইচ্ছা ছিল না, তাই শুধু শুধু ওখানে পরীক্ষা দিয়ে সময় নষ্ট করিনি। দুইডজন ভার্সিটিতে এপ্লাই করিনি। অনেক সময় আর টাকা সেইভ হয়েছে। 


বুয়েটে ভর্তির পরের কাহিনি আরও সুন্দর, আরও মাইন্ড ব্লোয়িং। সিমিংলি ইম্পসিবল সব জিনিস দেখেছি এখানে এসে। অনেক কিছু শিখেছি, ইন্সপায়ারড হয়েছি। নিজেকে নতুন করে ডিফাইন করেছি। আল্লাহ্‌ বাচিয়ে রাখলে, ঠিকঠাকমতো হলে ফিরে যেতে পারলে বুয়েট লাইফ নিয়ে একটা ভিডিও বানাবো। আশা করি সেখান থেকে তোমরাও অনেক কিছু শিখতে পারবে, ইন্সপায়ারড হবে।


শেষ করার আগে একটা কথা বলে রাখি, এদ্মিশনে আমি যেমনই করেছি, মেরিট পজিসন যেমনই এসেছে। I was always happy about it. আর বুয়েটে ভর্তির পর থেকে একাডেমিকের চেয়ে টেকনিক্যাল আর প্রফেশনাল জিনিশপত্র আমাকে বেশি atttract করেছে। সো ওসব মেরিট পজিশন আর কোন ম্যাটার করে না। I am really grateful to Allah about my accomplishment in life so far.

আল্লাহর সাহায্য তো আছেই। at the end of the day, কয়েকজন মানুষকে mention না করলেই নয়। আর পাঁচটা parents এর মতো আমার আব্বু আম্মু কখনও তাদের নিজের ডিসিশন আমার ওপর চাপিয়ে দেয়নি। আমার আম্মুর ইচ্ছা ছিল আমি যেন মেডিকেলে পড়ি। I said it wasn’t for me. So, she had never stressed about it again. আমার মামা মামী আমার ঢাকার গার্জিয়ান হিসেবে যা করেছেন অনেক রিলেটিভরা করেনা কখনই। I’m so grateful to them. লাস্টে একজন স্পেশাল মানুষকে থ্যাঙ্কস দিতে চাই। ফজলে রাব্বি ভাইয়া। উনি বুয়েটেই আমার সিনিয়র। EEE তে পড়ছেন। উনি পুরো কলেজ লাইফ আমাকে এফেক্টিভ গাইডলাইন দিয়েছেন। যখনই আমি পাকনামো করে উনার কথা গায়ে লাগাইনি তখনই ধরা খেয়েছি। এমন একজন মানুষকে মেন্টর হিসেবে পাওয়া আমার লাইফের একটা টারনিং পয়েন্ট ছিল। থ্যাংক ইউ সো মাচ ভাইয়া। 

Subscribe to my YouTube Channel

— Naimur Rahman (ME, BUET)


Facebook


Youtube


Linkedin


Instagram

Leave a Reply